How to add captcha to WordPress contact form 7

CAPTCHA! The full form of captcha is a Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart. That means artificial technology or robot unable to pass the captcha test only humans can be able to resolve it. So, the question is why we need to add captcha to WordPress contact form.

Well, there are several reasons! First of all, if your website doesn’t have any captcha form on the contact form or comment form, then it would be very easy to spam on your website. Basically, spam emails and comments made by robots. That’s why you may receive some unwanted emails and spam comments. In addition, if your website caused these types of suspicious activities your web hosting provider may suspend your hosting account. So, what’s the solution? To prevent all of these we have to add captcha to contact form. Let’s talk about how to add captcha to contact form.

Add captcha to contact form

Before adding captcha to WordPress contact form, we need to make sure that our website’s contact form builds by “Contact form 7” plugin. Now we have to install and activate a plugin called “Really Simple CAPTCHA”

add captcha to contact form

Now we have to visit the following website: Here we can see couple of CAPTCHA shortcodes. We will copy a code as I mentioned in the below screenshot.

add captcha to contact form

Now go back to WordPress and click on contact form.

add captcha to contact form

After clicking on the contact form we will see edit option. Click on it.

add captcha to contact form

Now we can see a text box like I mentioned below. All we have to do is paste the CAPTCHA shortcode as per the below screenshot.

add captcha to contact form

Now click on blue save button. Here you go. I hope this article will help you a lot and save you a couple of bucks as well only if you do this on behalf of yourself. If you are looking for save some couple of bucks then don’t forget to subscribe our YouTube channel link given below. Here you will find out these types of awesome video tutorials. zHost Bangladesh

How to Solve Deceptive Site Ahead Issue

Deceptive site ahead! Whenever we’ve seen this warning, it means the website we are visiting may be fraudulent or harmful. All most all WordPress users have been facing this issue several times. Now let’s talk about why such a problem happened.
Well, Deceptive site ahead this warning caused by virus. If your website is affected by viruses such as malware, suspicious code, or SQL Injection then Google may flag your website as a deceptive site ahead warning to protect the users of your website. Okay, let’s have a look at how we can overcome this issue.

Solutions of Deceptive site ahead issue

Well, there are four points but eventually, I’ve called it “Formula Four” to solve deceptive site ahead issue.

1. Verify your website on Google Search Console.
2. Remove Virus/Malware or affected content from your website. I recommend to terminate your hosting and recreate your web page once again.
3. Requesting for a review via Google Search Console.
4. Wait until the problem will solve.

Now we’re going to deeply discuss about the four mentioned point as like, how we can do this.

How to verify your website on Google Search Console

To verify our website on Google Search Console at 1st we have to visit: Then we can see a web page like this. Click on Start now.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

And then we can see another web page like this. Write your domain name here as I mentioned the screenshot and click on continue.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

Then we will see these option. All we need to do is copy the mentioned code and go to your cPanel.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

And then search at the top search bar (Zone Editor) click on the zone editor option.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

Click on the arrow option as I mentioned the picture and here you can see add “TXT” record click on it.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

Now we can see these above options. Write your domain name in the name section. We don’t need to make any changes to “TTL” section. Type section should be “TXT”. In the record option, we have to paste the code which we’ve copied from the Google Search Console. Now click on Save record.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

And then go back to Google Search Console and click on verify. Now here we go.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

How to Remove Virus/Malware or affected content from your website

Well, there are several ways to make your hosting clear from Virus/Malware. But here I recommend to terminate your hosting and recreate your hosting package. If you’re unable to do this, contact your hosting provider and asked them to recreate your hosting account. After recreate our hosting we’re ready enough to submit a review request.

How to submit a review request to on Google Search Console to solve Deceptive site ahead issue

In the previous screenshot after click on verify button, we’ve seen an option like, “go to property” click on it.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

The Google Search Console automatically detected the issue therefore we can see the mentioned option. Click on it.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

Now click on Request a review.

Solve Deceptive Site Ahead Issue

Now we can see this blank text box. Here we’ve to describe how we have cleaned our website/hosting from virus/malware. Wait let me give you an example.
The text should be like, “I’ve removed all harmful data from the website and made it clean. I’d be glad if you review my website and remove the deceptive site ahead issue.

Wait until the problem will solve

Now we have to wait for at least 72hours to resolve the issue. I hope this article will help you a lot. So don’t forget to subscribe to our YouTube Channel link given below. zHost Bangladesh

How to Fix Google AdSense Approval Issue

আচ্ছা, গুগল এ্যডসেন্সের এপ্রুভাল ইস্যু নিয়ে কথা বলার আগে শুরুতে আমি এখানে গুগল এ্যাডসেন্স সম্পর্কে একটু ধারণা দিচ্ছি। কেননা অনেকেই হয়তো রেনডমলি আমাদের এই প্রফেশনাল গুগল এ্যাডসেন্সের ভিডিও দেখছেন এবং কমেন্ট করছেন যে আমি আর্টিকেল লিখবো কোথায় বা ওয়েবসাইট পাবো কোথায় ইত্যাদি।
এই ধরনের বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতে যাতে না সৃষ্টি হয় এ জন্য বলে রাখি এই ভিডিও এবং আর্টিকেল গুলি আমাদের প্রফেশনাল ব্লগিং কোর্স এর একটি আলদা আলাদা পর্ব। আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমাদের প্রফেশনাল ব্লগিং কোর্সের পূর্বের ভিডিও গুলি দেখে নিবেন। সম্পূর্ণ কোর্স লিঙ্কঃ Make money by blogging – Professional course in bangla

What is Google AdSense

গুগল এ্যডসেন্স হচ্ছে গুগলের একটি এডস নেটওয়ার্ক। যার মাধ্যমে পাবলিশাররা তাদের ওয়েব কনটেন্টকে মনিটাইজ করতে পারে। গুগল এ্যডসেন্স এর মত অনেক এডস নেটওয়ার্ক রয়েছে। তবে বর্তমানে গুগল এ্যডসেন্সর জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। কেননা এর মধ্যমে খুব সহজে কনটেন্টকে মনিটাইজ করা যায়া এবং এটি অনেক ইউজার ফ্রেন্ডলিও বটে। তাছাড়া গুগল এ্যডসেন্স এর আয়ের হার অন্যান্য এ্যডস নেটওয়ার্কের চাইতে তুলনামূলক বেশী।
সাধারণত দুইটি উপায়ে গুগল এ্যডসেন্স থেকে আয় করা যায়। একটি হচ্ছে ইউটিউব চ্যানেলকে গুগল এ্যডসেন্স এর সাথে যুক্ত করে অপরটি হচ্ছে ওয়েবসাইটকে গুগল এ্যডসেন্স এর সাথে যুক্ত করে।

How to solve google AdSense problem

অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় আমরা গুগল এ্যডসেন্স এর বেসিক নিয়মগুলি ফলো করে আবেদন করার পরেও গুগল এ্যডসেন্স আমাদের আপ্লিকেশনটি রিজেক্টেড করছে। রিজেক্টেড হওয়ার অনেকগুলি কারণ রয়েছে। এই বিষয় সম্পর্কে আমি বিগত কয়েক দিন যাবত রিচার্স করেছি এবং ১২টি কারণ খুঁজে পেয়েছি। আমি আশা করছি এই ১২টি কারন যদি সঠিকভাবে ওভারকাম করা যায় তাহলে আপনার গুগল এ্যডসেন্স আপ্লিকেশনটি আর রিজেক্টেড হবেনা।

১। ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত পরিমানে কনটেন্ট না থাকা।
ওয়েবসাইটে যদি পর্যাপ্ত পরিমানে কনটেন্ট না থাকে তাহলে সাধারণত এটা বোঝা মুশকিল যে ওয়েবসাইটটি আসলে কি বিষয় সম্পর্কে। যেহেতু গুগল কনটেন্টের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিজিটরদের এড সার্ভ করে তাই অবশ্যই গুগল এ্যডসেন্স এর জন্য আবেদন করার ওয়েবসাইটে এ মিনিমাম ৮ থেকে ১০ টি কনটেন্ট পাবলিশ করবেন।

২। ওয়েবসাইটে কপিরাইটেড কনটেন্ট থাকলে।
এখানে কপিরাইটেড কনটেন্ট বলতে অন্যান্য সাইট থেকে কারো আর্টিকেল কপি করে সেটি নিজের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করাকে বোজানো হয়েছে। আপনাকে অবশ্যই ইউনিক আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে।

৩। ওয়েবসাইটে কপিরাইটেড ইমেজ থাকলে।
এখানে কপিরাইটেড ইমেজ বলতে অন্য কারো ওয়েবসাইট থেকে ইমেজ ডাউনলোড করে নিজের ওয়েবসাইটে আপলোড করাকে বোঝানো হয়েছে। আপনাকে অবশ্যই নিজেকে ইমেজ ক্রিয়েট করে নিতে হবে অথবা আপনি চাইলে অনেকগুলি কপিরাইট ফ্রি ইমেজের ওয়েবসাইট রয়েছে সেখান থেকে ব্যবহার করতে পারেন।

৪। ওয়েবসাইট লোড হতে অনেক সময় নিলে।
আচ্ছা, আমরা যখন কোন ওয়েবসাইটে বিজিট করি তখন যদি উক্ত ওয়েবসাইটটি লোড হতে অনেক সময় নেয় আমারা কি লোড হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করি? বেশীর ভাগ মানুষেরি উত্তর হবে না। অমারা সাধারণত অলটারনেটিভ ওয়েবসাইটে চলে যাই। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে আমাদের গুগল এ্যডসেন্স আপ্লিকেশনটি গুগল ম্যানুয়্যালি রিভিউ করে। তাই ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হোয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমনঃ সিডিএন ইউজ করা, ওয়েবসাইটের ফাইল সাইজ ছোট রাখা ইত্যাদি।

৫। প্রাইভেসি পলিসি, ডিসক্লেইমার, এভাউট আস এবং কনটাক্ট আস পেইজ না থাকলে।
আমাদেরকে অবশ্যই উক্ত পেইজ গুলি ক্রিয়েট করতে হবে। কেননা উক্ত পেইজ গুলি সম্পর্কে গুগগ সরাসরি বলেছে, আপনার ওয়েবসাইটে পেইজগুলি বিদ্যমান থাকতে হবে। আমরা ইতিমধ্যে এই বিষয়ে একিট আর্টিকেল পাবলিশড করেছি। আর্টিক্লে লিঙ্কঃ What Are the Requirements for Google AdSense

৬। আপনার ডোমেইনটি টিএলডি ডোমেইন না হলে।
এখানে টিএলডি বলতে টপ লেভেল ডমেইনকে বোঝানো হয়েছে। যেমনঃ .com .net .org. info. .xyz . ইত্যাদি। আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো টিএলডি ডমেই দিয়ে আমাদের অয়েবসাইটটি ক্রিয়েট করার জন্য।

৭। পূর্বে আপনার কোন এক্টিভ এ্যডসেন্স এ্যকাউন্ট থাকলে।
পূর্বে থেকে যদি আপনার একটি এডসেন্স এ্যকাউন্ট থাকে তাহলে গুগল আরেকটি এ্যডসেন্স একাউন্ট দিবেনা। কেননা গুগোল একজন ব্যক্তির জন্য একটি মাত্র এ্যকাউন্ট এলো করছে। এখত্রে আপনার পূর্বের একাউন্টে বর্তমান ওয়েবসাইটকে যুক্ত করতে হবে।

৮। আপনার বয়স ১৮ বছরের কম হলে।
গুগল এ্যডসেন্স একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হলে আপনার বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি হতে হবে। অর্থাৎ আপনি যেই ইমেইল দিয়ে আবেদন করছেন সেই ইমেইলে আপনার বয়স ১৮ বছরের বেশি হতে হবে।

৯। ওয়েবসাইটটি এ্যডসেন্স ফ্রেন্ডলি না হলে।
এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা আপনার ওয়েবসাইটের লে-আউট যদি সুন্দর না হয় বা আপনার ওয়েবসাইট যদি দেখতে অনেক হিবিজিবি হয় সে ক্ষেত্রেও গুগল আপনাকে এ্যডসেন্স দিবেনা।

১০। এ্যাফিলিয়েটেড কন্টেন্ট উইথ লিটল ভ্যালু।
এখানে বলা হয়েছে আমাদের ওয়েবসাইটে যদি অন্য কারো প্রোডাক্ট নিয়ে লিখি সেখেত্রে আমাদের কে প্রোডাক্টের স্পেসিফিকেশন লিখতে হয়। আর প্রোডাক্টের স্পেসিফিকেনশ যেহেতু সব যায়গায় একই থাকে। তাই এটা কনটেন্ট এর ভ্যালু হ্রাস করে। তাই চেস্টা করবেন প্রোডাক্টের স্পেসিফিকেশন একটু ইউনিক ভাবে লিখার জন্য।

১১। ভিজিটরদের কিছু ডাউনলোড করতে ফোর্স করা।
আমরা অনেক সময় কিছু ওয়েবসাইটে ভিজিট করলে কোথাও ক্লিক করেলেই আমাদেরকে একপ্রকার ফোর্স করে অন্যান্য ওয়েবসাইটে নিয়ে যায় বা ডাউনলোড করতে বলা। এই ধরনের সিস্টেম যদি আপনার ওয়েবসাইটে করে রাখেন তাহলেও গুগল আপনাকে এ্যডসেন্স দিবেনা।

১২। ওয়েবসাইটে আনঅথরাইজড ট্রাফিক থাকলে।
আপনি যদি কোন টুলস, সফটয়্যার বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ফেইক ট্রাফিক নিয়ে আসেন সেক্ষেত্রেও গুগল আপনাকে এ্যডসেন্স দিবেনা।

উক্ত কাজ গুলি যদি আপনি সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে গুগল আপনাকে অবশ্যই এ্যডসেন্স দিতে বাধ্য থাকবে। আমাদের প্রোফেশনাল ব্লগিং কোর্সটি পেতে ভিজিট করুনঃ Professional Blogging Course in Bangla

How to Apply for Google AdSense

গুগল এ্যাডসেন্স, সোনার হরিন তাইনা! ব্লগাররা গুগল এ্যাডসেন্সকে সোনার হরিন নামেই ডেকে থাকেন। এটি হয়তো রূপকথার সোনার হরিনের মত সোনার ডিম দেয়ানা তবে সোনার ডিমের সমমূল্যের অর্থ তো দিয়েই থাকে। আজকে আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা কিভাবে গুগল এ্যাডসেন্স জন্য আবেদন করতে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

গুগল এ্যাডসেন্সর জন্য আবেদন করার পূর্বে আমাদেরকে গূগোলের কিছু রিকয়্যারমেন্ট ফুলফিল করতে হবে। যেমন ওয়েবসাইটে বাধ্যতামূলক কিছু পেইজ ক্রিয়েট করতে হবে যেমনঃ প্রাইবেসি পলিসি, ডিসক্লেইমার, এবাউট আস এবং কন্টাক্ট আস। উক্ত পেইজ গুলি ওয়েবসাইটে থাকা বাধ্যতামূলক। কিভাবে উক্ত পেইজ গুলি ক্রিয়েট করতে হয় এই বিষয় সম্পর্কে আমারা ইতিমধ্যে একটি আর্টিকেল পাবলিশড করতেছি। আর্টিকেল লিঙ্কঃ
What Are the Requirements for Google AdSense

এছাড়াও আরো কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলোর জন্য আপনার গুগল এ্যাডসেন্স এ্যাপ্লিকিশনটি রিজেক্টেড ও হতে পারে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলি নিম্মে উল্লেখ করা হল।

১। ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত পরিমান কনটেন্ট না থাকা।

২। ওয়েবসাইটে কোন ধরনের এডাল্ট কনটেন্ট থাকা।

৩। ওয়েবসাইটে মিলিটারি ইকুইপমেন্ট সম্পর্কে কনটেন্ট থাকা।

৪। ওয়েবসাইটে কপিরাইটেড কনটেন্ট থাকা।

৫। ওয়েবসাইটে কপিরাইটেড ইমেজ থাকা।

৬। আপনার বয়স ১৮ বছরে কম হলে।

৭। আপনার পূর্বের কোন গুগল এ্যাডসেন্স একাউন্ট থাকা ইত্যাদি।

How to Apply for Google AdSense

গুগল এ্যাডসেন্স এ আবেদন করার জন্য শুরতেই আমাদেরকে Google AdSense এই ইউয়াএল টিতে ব্রাউজ করতে হবে। গুগল এ্যাডসেন্স এর হোম পেইজে আসার পরে গেট স্টার্ট আইকনটিতে ক্লিক করে আমাদের ইমেল এ লগ-ইন করতে নিতে হবে।
How to Apply for Google AdSense

পরবর্তি পেইজে আসার পরে আমাদেরকে আমাদের ওয়েবসাইটের ইউআরএল এবং আমাদের পারর্সনাল ইনফরমেশন দিয়ে পরবর্তি পেইজে যেতে হবে।
How to Apply for Google AdSense
পরবর্তি পেইজে আসার পরে “কানেক্ট ইউর সাইট টু এ্যাডসেন্স” এই অপশনটিতে ক্লিক করবো।
How to Apply for Google AdSense
তারপরে এ্যাডসেন্স আমাদেরকে একটি কোড দিবে সেটি আমারা কপি করে আমাদের ওয়েবসাইটের হেড সেকশনটিতে পেস্ট করে সাবমিট বাটনে কিল্ক করলেই আমাদের কাজ শেষ।
How to Apply for Google AdSense

What Are the Requirements for Google AdSense

গুগল এ্যডসেন্সের জন্য আবেদন করার পূর্বে সাধারণত গুগলের কিছু রিকয়ারমেন্ট আমাদেরকে পূরণ করতে হয়। আমারা যদি উক্ত রিকয়ারমেন্টগুলি সঠিক ভাবে পূরণ করতে না পারি সে ক্ষেত্রে গুগল কখনই আমাদের এ্যডসেন্স এ্যাপ্লিকেশনটি এপ্রুভ করবেনা। গুগল এ্যডসেন্সের শর্ত গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি শর্ত হলোঃ

1. Privacy policy
2. Disclaimer
3. About Us
4. Contact Us
5. Be aware of how your site promoted

আমাদেরকে এ্যডসেন্সের জন্য আবেদন করার পূর্বে উল্লেখিত চারটি পেইজ আমাদের ওয়েবসাইটে ক্রিয়েট করে নিতে হবে। উল্লেখিত চারটি পেইজ কিভাবে তৈরী করবেন এবং কি কি কনটেন্ট দিবেন তা নিয়ে উল্লেখিত ভিডিও টিওটোরিয়ালে বিষদভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

এখন কথা হচ্ছে পাঁচ নম্বর অপশনটি নিয়ে। এখানে বলা হয়েছে আপনার অয়েবসাইটটি কিভাবে প্রোমট করা হচ্ছে সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্ভন করা। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার অয়েবসাইটটি কোন থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট বা সফ্টওয়্যার এর মাধ্যমে প্রোমট করে থাকেন এবং উক্ত থার্ড পার্টি অয়েবসাইটটি যদি পপ-আপ উইনডোর মাধ্যমে আপনার সাইটে ভিজিটর পাঠায় সে ক্ষেত্রে গুগল আপনাকে এ্যডসেন্স দিবেনা।
গুগল এ্যডসেন্সের জন্য আবেদন করার পূর্বে আমাদেরকে অবশ্যই উক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হবে।

How to Post Article on WordPress Website

একটি আর্টিকেল লিখার পরে সেটি যদি সঠিক উপায়ে ওয়েবসাইটে পোষ্ট করা না যায় তাহলে আর্টিকেলটির আর কোন মূল্য থাকেনা! মূল্য থাকেনা বলতে সঠিক নিয়ম অবলম্বন না করলে আপনার আর্টিকেল কখনো গুগলে বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে রেঙ্ক করবেনা।

অনেকে হয়তো ভাবেন যে ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে ব্লগ পোষ্ট করা খুবি সিম্পল একটা ব্যাপার। আসলেই তাই! যদি আপনি সঠিকে পদ্ধতিটি জানেন। কিন্তু আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে কিভাবে সঠিক পদ্ধতিতে ব্লগ পোষ্ট করতে হয় তা না জানেন, তাহলে আপনার আর্টিকেলটি তুলনামূলক অনেক সুন্দর ভাবে লেখার পরেও কিন্তু গুগোলে রাঙ্ক করবেনা।

আমাদের আজকের পর্বে দেখানো কিভাবে অন পেইজ এসইও করে একটি আর্টিকেল ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে পোষ্ট করতে হয়।

Why you should start E-commerce Business?

ই-কমার্স ব্যবসায় শুরু করার শতশত লজিক্যাল কারণ রয়েছ! তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-কমার্স একটি অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারনে আপনার নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য দ্রব্য ঘরে বসেই পেয় যাচ্ছেন।

এছাড়াও করনা পেন্ডামিক জনিত পরিস্থিতির কারনে প্রায় সকল ধরনের ব্যবসাইক প্রতিষ্ঠান ক্ষতির সম্মুখীন হলেও ই-কমার্স ব্যবসায়ের সম্ভাবনা কিন্তু এখন আগের চেয়ে বহুগুণে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এছাড়াও মানুষ সময় বাঁচাতে অনলাইনে কেনাকাটার ওপর প্রতিনিয়ত ঝুকে পড়েছে। তাই বর্তমান প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে আপনি চাইলেই সামান্য কিছু পুঁজি নিয়ে ই-কমার্স ব্যবসায় শুরু করতে পারেন।

কিভাবে ই-কমার্স ব্যবসায় শুরু করবেন এই বিষয় নিয়ে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে একটি পরিপূর্ন ভিডিও কোর্স আপলোড করা হয়েছে। কোর্সটি সম্পূর্ন ফ্রী।
Full Course Link: Video Link

What is the differences between E-commerce Business & Traditional business

ই-কমার্স বিজনেস নাকি ট্র্যাডিশনাল বিজনেস? কোনটা আপনার জন্য?

দেখুন বর্তমানে আমাদের দেশে ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারনে আমরা কিন্তু প্রতিনিয়ত ইন্টারনেটের প্রতি ঝুকে পড়ছি। এতে কিন্তু ট্র্যাডিশনাল বিজনেসের চেয়ে ই-কমার্স বিজনেসের সম্ভাবনা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনার জন্য কোন ব্যবসায়টি ভালো হবে, ই-কমার্স বিজনেস নাকি ট্র্যাডিশনাল বিজনেস? এটা জনাতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে ই-কমার্স বিজনেস এবং ট্র্যাডিশনাল বিজনেসের পার্থক্য সম্পর্কে জানতে হবে।

ই-কমার্স বিজনেস কি? একথায় ইকমার্স হলো একটি অনলাইন দোকান যেখানে কাস্টমার ঘরে বসেই তার প্রয়োজনীয় পন্য-দ্রব্য অর্ডার করতে পারে এবং তার অর্ডারকৃত পন্য-দ্রব্য গুলো ঘরে পোঁছে দেওয়া হয়। অন্যদিক…

ট্র্যাডিশনাল বিজনেস কি? ট্র্যাডিশনাল বিজনেস হলো আপনার একটি ফিজিক্যাল দোকান থাকবে এবং কাস্টমার দোকানে এসে তার প্রয়োজনীয় পন্য-দ্রব্য কিনে নিয়ে যাবে।
ই-কমার্স এবং ট্র্যাডিশনাল বিজনেসের পার্থক্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উল্লেখিত ভিডিওটি দেখুন।

How to create a blog website within 30 minutes

ওয়েবসাইট তৈরি করার অনেক গুলি মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে সহজলভ্য পদ্ধতি হলো ওয়ার্ডপ্রেস। ওয়ার্ডপ্রেস হলো একটি কনটেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম সংক্ষেপে সিএমএস। ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে সর্বপ্রথম সি-প্যানেলে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করতে হবে।

আপনার যদি সি-প্যানেল সম্পর্কে কোন ধারণা না থাকে তাহলে উল্লেখিত দুইটি ভিডিও দেখতে পারেনঃ

১। সি-প্যানেল সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা (

২। ব্লগ এর জন্য ডোমেনি হোস্টিং বায়িং গাইড (

সি-প্যানেলে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ দেওয়ার পর ওয়ার্ডপ্রেসে লগিং করে একটি থিম আপলোড করতে হবে। তারপরে থিমটিকে ইচ্ছেমত কাস্টমাইজ করে নিতে হবে। এখানে বলে রাখা ভালো ওয়ার্ডপ্রেসে সাধারণত দুই ধরনের থিম পাওয়া যায়। একটি হচ্ছে ফ্রি থিম এবং অপরটি হচ্ছে প্রিমিয়াম থিম। ওয়েবসাইটের থিম কাস্টমাইজেশন কমপ্লিট করার পর এখন আপনি চাইলে আপনার ইচ্ছেমত বল্গ পোষ্ট করতে পারনে। কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে এবং কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করতে হবে তা যানতে নিম্মে উল্লেখিত ভিডিও গুলি দেখতে পারেন।

১। কিভাবে আর্টিকেল লিখবেনঃ (

২। কিভাবে আর্টিকেল পোষ্ট করবেনঃ (

কিভাবে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এ বিষয় সম্পর্কে উপরে উল্লেখিত ভিডিওতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

How to Write a Natural Article for Blog

আমরা যারা ব্লগিং বা এসইও এর সাথে যুক্ত আছি তারা হয়তো সবাই “কন্টেন্ট ইজ কিং” এই উক্তিটির সাথে বেশ পরিচিত। অর্থাৎ আপনি যত ভালোই ওয়েবসাইটের জন্য এসইও করে থাকেননা কেন আপনার কন্টেন্ট যদি কোয়ালিটি সম্পূর্ণ না হয় তাহলে আপনার ওয়েবসাইট রাঙ্ক করবেনা। যেহেতু একটি ব্লগ ওয়েবসাইটের ভবিষ্যত বেশীরভাগ অংশই আর্টিকেল এর উপর নির্ভরশীল তাই আমাদের সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দিতে হবে আর্টিকেলটিকে কিভাবে সুন্দর এবং রুচিশীল ভাষায় ফুটিয়ে তোলা যায় তার ওপর।

How to write a SEO friendly unique article?

একটি এসইও ফ্রেন্ডলি নেচারাল আর্টিকেল লিখার জন্য আমাদেরকে সাধারণত কয়েকটি বেসিক বিষয়ের উপর নজর দিতে হবে। যেমনঃ
১। কিওয়ার্ড
২। টাইটেল
৩। সাব টাইটেল
৪। বডি

What is keyword and how to use it?

কিওয়ার্ড হচ্ছে কোন নির্দিষ্ট বিষয় খুঁজে বের করার জন্য সার্চ ইঞ্জিনে (গুগল, ইয়াহু, বিং) আমরা যা লিখে সার্চ দেই তাকে সাধারণত কিওয়ার্ড বলা হয়। কিওয়ার্ড একটি শব্দের বা একাধিক শব্দের হয়ে থাকে।
যেমন আমি যদি অনলাইন থেকে একটি জ্যাকেট কিনতে চাই তাহলে আমি হয়তো গুগলে গিয়ে লিখব (মেন্স লেদার জ্যাকেট) অথবা শুধুমাত্র (জ্যাকেট) লিখেই সার্চ দিব। আমি (জ্যাকেট) কিওয়ার্ডটি লিখে গুগলে সার্চ দেওয়ার পরে যেই ওয়েবসাইটের কনটেন্টের মধ্যে (জ্যাকেট) কিওয়ার্ডটি খুঁজে পাবে সেই কনটেন্টে গুলোকেই আমাকে সাজেস্ট করবে।

আমরা যখন আর্টিকেল লিখব তখন আমাদের সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে আমাদের আর্টিকেল এর জন্য সঠিক কিওয়ার্ড গুলি বাচাই করা। যেমন আমরা যদি একটি আর্টিকেল লিখি কিভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যায় এই বিষয়ে তাহলে আমাদের কিওয়ার্ডটি হবে (হাউ টু মেক মানি অনলাইন)। কিওয়ার্ড বাচাই করার ক্ষেত্রে আমাদেরকে আরেকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যে আমরা যে কিওয়ার্ডটি বাচাই করেছি তার যথেষ্ট পরিমান সার্চ ভলিউম রয়েছেকিনা। অর্থাৎ আমরা এমন কোন কিওয়ার্ড বাচাই করবনা যেই কিওয়ার্ড লিখে কেউ সার্চ দেয় না। সঠিক কিওয়ার্ডটি বাচাই করার পর আমাদের আর্টিকেলে কিওয়ার্ডটি কথার প্রাসঙ্গিকে কয়েকবার ব্যবহার করবো। যাতে সার্চ ইঞ্জিন বুজতে পারে আমাদের আর্টিকেলটি কোন বিষয় নিয়ে লিখা হয়েছে।

How to create a SEO friendly title?

এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল লিখার পূর্বে আমরা জেনে নেই টাইটেল কি? এখানে টাইটেল বলতে বুঝানো হয়েছে আর্টিকেল এর হেডলাইন বা ইএচ-১ ট্যাগ। আমরা যখন গুগলে কোন কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দেই তখন গুগল আমাদের অনেকগুলি আর্টিকেল সাজেষ্ট করে। আমরা সাধারণত তখন গুগলের সাজেষ্টকৃত আর্টিকেল গুলির টাইটেল দেখি এবং যেই আর্টিকেল গুলির টাইটেল আমাদের কাছে আমাদের সার্চকৃত কিওয়ার্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মনে হয় আমরা সেই আর্টিকেল গুলিতে বিজিট করি।
তাই আমরা আর্টিকেল এর টাইটেল লিখার সময় সাধারণত ২টি বিষয় লক্ষ রাখবো।

১। টাইটেলটি আমাদের আর্টিকেল এর সাথে মিল রেখে তৈরি করতে হবে।

২। টাইটেলের মধ্যে আমরা আর্টিকেল এর প্রধান কিওয়ার্ডটি রাখব। যেমনঃ আমার আর্টিকেল এর মেইন কিওয়ার্ড হচ্ছে (মেক মানি অনলাইন)। তাহলে আমি টাইটেলটি লিখব (হাউ টু মেক মানি অনলাইন)।

What is subtitle?

সাব-টাইটেল মানে হচ্ছে বিকল্প নাম বা বাড়তি নাম। আমরা যখন একটি আর্টিকেল লিখি তখন আর্টিকেল এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রাসঙ্গিক বিষয় আসতে পারে। আমরা এই ধরেনর প্রাসঙ্গিক বিষয় গুলোকে একটি করে সাব-টাইটেল দিয়ে লিখার চেষ্টা করব এবং সাব-টাইটেল এর মধ্যেও কিওয়ার্ড রাখার চেষ্টা করব। এতে আমদের আর্টিকেল এর মান অনেক বৃদ্ধি পাবে।


আর্টিকেল এর বডি বা ডেসক্রিপশনে সাধারণত বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়ে থাকে। আমরা যখন আর্টিকেল এর ডেসক্রিপশন লিখবো তখন চেষ্টা করবো আমাদের আর্টিকেল একটু ইউনিক ভাবে লিখতে যাতে ভিজিটর আর্টিকেল পড়তে এশে বোরড না হয়ে যায়। কথার প্রাসঙ্গিকে আমাদের মেইন কিওয়ার্ড কয়েকবার আর্টিকেল এ রিপিট করার চেষ্টা করবো। এতে আর্টিকেল এর মান অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং এসইও রাঙ্কিং এ অনেক ইমপ্রুব করবে।

How to create a blog website in Bangla

যখনি আমরা ওয়েবসাইট তৈরি করার কথা ভাবি অধিকাংশ মানুষই মনে করি ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে আমাকে প্রোগ্রামার হতে হবে। কিন্তু আমরা হয়তো বেশিরভাগ মানুষই জানিনা যে প্রোগ্রামিং সম্পর্কে বিন্দুমাত্র নলেজ না রেখেও ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। আমাদের আজকের আর্টিকেলে জানবো ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। তাহলে শুরুতেই আমরা জেনে নেই ওয়ার্ডপ্রেস কি।

What is WordPress?

ওয়ার্ডপ্রেস হল একটি সিএমএস। যার পূর্ণ রূপ কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ওয়েয়ার্ডপ্রেস এমন একটি ওয়েব এপ্লিকেশন যার মাধ্যমে অনেকটা ড্রাগ এবং ড্রপের মাধ্যমে যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট খুবই অল্প সময়ে তৈরি করা সম্ভব। এ পর্যায়ে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আমাদের একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং এর প্রয়োজন হবে। ডোমেইন হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের নাম যেমন জিহোস্টবিডি ডট কম। আর হোস্টিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটটি অনলাইনে রাখার যায়গা। আমি ডোমেইন এবং হোস্টিং সম্পর্কে পূর্বে দুটি আর্টিকেল পোষ্ট করেছি। আপনার ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা না থাকলে অবশ্যই পূর্বের আর্টিকেল গুলি দেখে নিবেন।

How to create a blog website using WordPress?

ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে হলে সর্বপ্রথম আমাদেরকে আমাদের হোস্টিং এর সি-প্যানেলে লগিন করতে হবে। সি-প্যানেল আবার কি? সি-প্যানেল হচ্ছে আপনার হোস্টিং এর কট্রোল প্যানেল। যার মাধ্যমে ওয়েব হোস্টিং ম্যানেজ করা হয়ে থাকে।

সি-প্যানেলে লগিন করার পরে সফটাকুলাস নামে একটি এ্যাপস দেখতে পাবো। সফটাকুলাস এ্যাপস এর মাধ্যমে আমরা ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএস টি আমাদের সি-প্যানেল ইন্সটল করবো। ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করার সময় একটি ইমেইল দিতে হবে। অবশ্যই মনে রাখবেন ওয়ার্ডপ্রেস এ্যাডমিন ইমেইলের ফর্মে একটি ভ্যালিড ইমেইল এ্যাড্রেস দিতে হবে। তারপরে একটি ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড দিতে হবে। পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় সর্বনিম্ম একটি ক্যারেক্টার এবং সিম্ভল ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। এখানে একটি উদাহরণ স্বরূপ পাসওয়ার্ড দেয়া হলোঃ TsY3$^21bd । ওয়ার্ডপ্রেস লগইন ইউয়ারএল, ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড দেওয়ার পরে এগুলো একটি নোট প্যাডে সংরক্ষণ করে রাখবেন। যাতে পরবর্তীতে ওয়ার্ডপ্রেসে লগইন করার সময় আমরা এগুলো ব্যবহার করতে পারি।

এখন আমরা ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করা সময় যেই ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড দিয়েছি তা দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস লগইন ইউয়ারেল এ গিয়ে লগইন করব। লগইন করার পরে এ্যাপেয়ারেন্স এর মধ্যে থিমস নামের অপশনটিতে ক্লিক করব। এই পেইজে এ্যাডনিউ নামে একটি বাটন দেখতে পাব এবং এখানে ক্লিক করব। এই পেইজে আসার পরে আমরা অনেকগুলি ওয়ার্ডপ্রেস থিম দেখতে পাব এবং আমাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোন থিম আমাদের ওয়াবসাইটে সেটআপ দিতে পারব। থিম সেটআপ দেওয়ার পরে আমরা ইচ্ছেমত আমাদের ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটটিকে কাস্টমাইজ করে নিতে পারব।

ওয়েবসাইটে কোন পোষ্ট করতে চাইলে পোষ্ট অপশন থেকে এ্যাড নিউ অপশনে ক্লিক করে চাইলে যেকোন ধরনের পোষ্টও আপডেট দিতে পারবো। আর্টিকেলটির ফিচারড ভিডিওতে কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের মাধ্যমে একটি ব্লগ অয়েবসাইট তৈরি করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশাকরি ভিডিওটি দেখলে আপনি ঘরে বসেই কোন কোডিং নলেজ চাড়াই আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটি তৈরি করতে পারবেন।

How to choose best web hosting for blog website

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে বা তৈরি করার চিন্তা করলে হোক সেটা ব্লগ ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট সর্বপ্রথম আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হচ্ছে হোস্টিং সম্পর্কে বিষদ ভাবে জ্ঞান রাখতে হবে। তা নাহলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট ওয়েব হোস্টিংটি বাচাই করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
ফলে বিভিন্ন সময় আপনাকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। নিম্মে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সমস্যার কথা তুলে ধরা হল।

১। সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়া – এর ফলে ভিজিটর ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারবেনা।
২। ল্যাজি লোডিং – ফলে ওয়েবসাইট লোড হতে অনেক সময় নিবে।
৩। সমস্যা সমাধান করতে অনেক বেশী সময় নেওয়া।
 ৪। লো-লেভেল সিকিউরিটি – এর ফলে ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়া বা ভাইরাস- ম্যালওয়্যার জনিত সমস্যার সম্মূক্ষিন হতে পারে।
৫। ওভার প্রাইসিং – অর্থাৎ ওয়েব হোস্টিং এর স্পেসিফিকেশনের চেয়ে দাম বেশি নির্ধারন করা ইত্যাদি।

What is web hosting?

যখনি কেউ প্রফেশনালি বা পার্সনালি কোণ ওয়েবসাইট করার কথা ভাবে ঠিক তখনি প্রথম যেই প্রশ্নটি মাথায় আসে সেটি হচ্ছে ওয়েব হোস্টিং কি?
ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে ইন্টারনেটের এমন একটি স্পেচ বা যায়গা যেখানে ওয়েব ফাইল বা ওয়েবসাইটের ডেটা ষ্টোর করা হয়ে থাকে। এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া হল যাতে বিষয়টি আরো ক্লিয়ার ভাবে বোঝা যায়।
মনে করুন আপনি একটি বাড়ি তৈরি করবেন। বাড়িটি তৈরি করার জন্য অবশ্যই একটি যায়গার প্রয়োজন হবে। ঠিক তেমনি অনলাইনে ওয়েবসাইটের ডেটা গুলি রাখার জন্যও একটি স্পেচ বা যায়গার প্রয়োজন হয়। আর এই যায়গাটিকে ওয়েব হোস্টিং বলা হয়ে থাকে। এছাড়াও এসকল যায়গার বিভিন্ন ধরনের সাইজ হয়ে থাকে যেমন বড়-ছোট তেমনি ওয়েব হোস্টিং এর ও সাইজ হয়ে থাকে যেমন ১জিব-২জিবি ইত্যাদি।

How to choose best web hosting for blog website

ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য হোস্টিং নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক গুলি বিষয় বিবেচনা করতে হলেও আমার এখানে প্রধান চারটি উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

১। রিলাইএ্যভিলিটি
– এখানে রিলাইএ্যভিলিটি বলতে চারটি বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। যেমনঃ

• ব্যাক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ আপনি যার কাছ থেকে ওয়েব হোস্টিংটি নিবেন তিনি কি একজন ব্যাক্তি নাকি প্রতিষ্ঠান। আমরা সবসময় চেষ্টা করবো প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব হোস্টিং নেওয়ার জন্য। কেননা একটি প্রতিষ্ঠানে অনেকজন এক্সপার্ট কাজ করে যারা যেকোন সমস্যা সমাধান অনেক দ্রুত দিয়ে পারবে কিন্তু একজন ব্যাক্তির পক্ষ্যে এই ধরনের সার্ভিস দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য।

• সি-প্যানেল বা কন্ট্রোল প্যানেল। অর্থাৎ আপনার কাঙ্ক্ষিত হোস্টিং প্রোভাইডার সি-প্যানেলের সম্পূর্ন এক্সেস দিচ্ছে কিনা। যদি না দেয় সেক্ষত্রে আমরা তাদেরকে এ্যাভয়েড করব।

• হিডেন চার্জ। অর্থাৎ এখন একটা হোস্টিং কিনলেন ১০০০ টাকা দিয়ে কিন্তু পরবর্তী বছর রিনিও বিল আসছে ১৫০০ টাকা। কিন্তু এই বিষয়ে পূর্বে কোথাও উল্লেখ ছিলনা।

• ট্র্যান্সফার। অর্থাৎ পরবর্তিতে চাইলে আপনার হোস্টিং যেকোন সময় অন্য কোথাও ট্র্যান্সফার করা যাবে এই সুবিধাটি দিচ্ছে কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে।

২। ফ্লেক্সিবিলিটি – অর্থাৎ এখন আপনি হোস্টিং নিয়েছেন ১জিবি কিন্তু কিছুদিন পরে দেখা গেল আপনার ষ্টোরেজ ফুল হয়ে গিয়েছে। এমত অবস্থায় আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার আপনাকে ষ্টোরেজ আপগ্রেড করার সুবিধা দিচ্ছে কিনা বা দিলেও প্রাইসিং রিল্যায়এবল কিনা। এই বিষয় সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

৩। কোয়ালিটি – এখানে কোয়ালিটি বলে চারটি বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। যেমনঃ

• সার্ভার আপটাইম। অর্থাৎ সার্ভার মোস্ট অব দ্যা টাইম অনলাইনে থাকে কিনা।

• সার্ভার স্পীড। অর্থাৎ সার্ভারের স্পীড ভাল কিনা। সার্ভারে কোন ধরেনের প্রসেসর ব্যবহার করা হয়ছে ইত্যাদি।

• সার্ভার লোকেশন। অর্থাৎ সার্ভারের লোকেশন আমেরিকাতে অবস্থিত কিনা। কেননা সাধারণত আমেরিকান ডেটা সেন্টার গুলি অনেক পাওয়ারফুল হয়ে থাকে।

• সার্ভার সিকিউরিটি। অর্থাৎ সার্ভারে এ্যান্টিভাইরাস, ফাইয়ারওয়ালস, ডিডস প্রোটেকশন, মড সিকিউরিটি, ভাইরাস স্ক্যানার, ব্যাকআপ সার্ভার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা নিশ্চিত করতে হবে।

৪। প্রাইস – সাধারণত সার্ভারের প্রাইসিংটা মূলত সার্ভারের স্পেসিফিকেশনের উপর নির্বর করে। অর্থাৎ একটি ভাল স্পেসিফিকেশনের সার্ভার জন্য আপনাকে তূলনামূলক একটু বেশী চার্জ করা হবে।
আমরা অনেক সময় ফেসবুক, ইউটিউবে অনেক বিজ্ঞাপন দেখি থাকি যে ২০জিবি হোস্টিং ১০০০ টাকা বা ২০০০ টাকা। সাধারণত এসকল হোস্টিং অনেক চিপ-কোয়ালিটির হয়ে থাকে। আমরা চেস্টা করবো এধরনের হোস্টিং প্রোভাইডারদের এড়িয়ে চলতে।

জি-হোস্ট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত একটি আইটি প্রতিষ্ঠান

©2015–2022 zHost Bangladesh. All rights reserved.