09 Oct

Choose Best Web Hosting Service for Your Website

ইন্টারনেটে ওয়েব হোস্টিং এর জন্য সার্চ করলেই শত শত ওয়েব হোস্টিং প্রভাইডার খুব সহজে খুজে পাওয়া যায়। অনেক গুলি অপশন থাকার কারনে আমরা কনফিউসড হয়ে যাই যে কোন কোম্পানি থেকে হোস্টিং নিলে আমার জন্য ভালো হবে? এই আর্টিকেলটিতে আমি এই প্রশ্নটির উত্তরটি দেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করি এই আর্টিকেলটি  পড়ার পর ওয়েব হোস্টিং পছন্দ করার ক্ষেত্রে আপনাদের সব কনফিউশান দূর হয়ে যাবে।

What is Web Hosting

ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট ওয়েব হোস্টিং পছন্দ করার আগে আমারা জেনে নেই ওয়েব হোস্টিং কি? সহজ ভাষায় বলতে গেলে ওয়েব হোস্টিং হলো একটা স্টোরেজ বা (অনেকটা মেমরি কার্ডের মত) যেখানে ওয়েবসাইটের ডেটা গুলো স্টোর করা থাকে।

এক্ষেত্রে আমি একটা উদাহারন দেই। মনে করুন আপনি একটি বাড়ি করতে চাচ্ছেন। বাড়িটি করতে হলে অবশ্যই একটি জায়গা প্রয়োজন হবে। যদি জায়গা না থাকে তাহলে আপনি কখনো বাড়ি করতে পারবেননা আর বাড়ি না থাকার কারনে বাড়িতে কিছু রাখতেও পারা যাবেনা। ঠিক একই ভাবে হোস্টিং হচ্ছে ওয়েবসাইট রাখার জায়গা। আর ওয়েবসাইট হচ্ছে বাড়ির মত যেখানে বিভিন্ন জিনস পত্র সাজাবেন।

How to Choose Best Web Hosting

সাধারনত ওয়েব হোস্টিং বাছাই করার ক্ষেত্রে যে যে বিষয় গুলোর প্রতি নজর দিতে হবে এবং কেন সেগুলো নিছে উল্লেখ করা হলো।

Reliability

ওয়েব হোস্টিং পছন্দ করার ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম আপনাকে যেই বিষয়টির ওপর নজর দিতে হবে সেটি হচ্ছে রিলায়াবিলিটি। আচ্ছা এখানে আমি রিলায়াবিলিটি বলতে কি বুজিয়েছি? রিলায়াবিলিটি বলতে এখানে চারটি দিককে বুজানো হয়েছে। সর্বপ্রথম হচ্ছে

ব্যাক্তি আথবা প্রতিষ্ঠান

অর্থাৎ আপনি যেই হোস্টিং প্রোভাইডার পছন্দ করবেন ওয়েব হোস্টিং নেওয়ার জন্য তিনি কি একজন ব্যাক্তি নাকি প্রতিষ্ঠান। আমরা সব সময় চেষ্টা করবো প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির থেকে ওয়েব হোস্টিং নেওয়ার জন্য। কেননা আপনি যদি একজন ব্যক্তির থেকে ওয়েব হোস্টিং নিয়ে থাকেন তাহলে অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। যেমন ঐ ব্যাক্তি যদি কিছু দিন যাওয়ার পর কোন কারনে সে ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইড করা বন্ধ করে দিয়েছে। অথবা কোন কারানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কিন্তু এই মুহূর্তে আপনার সাপর্টের প্রয়োজন হয়েছে তখন কিন্তু আপনি সাপর্ট পাবেননা ইত্যাদি আরো অনেক কারন রয়েছে যার কারনে কখনো কোন ব্যাক্তির কাছ থেকে ওয়েব হোস্টিং নেওয়া ঠিক নয়। ওপর দিকে আপনি যদি কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব হোস্টিং নিয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে উক্ত সমস্যা গুলোর সম্মুখীন হতে হবেনা। কেননা একটা প্রতিষ্ঠান কিন্তু কখনো অল্প সমায়ের জন্য ব্যবসায় করতে আসেনা তাদের চিন্তা থাকে লং টার্ম ব্যাবসায় করার। এছাড়া একটা প্রতিষ্ঠান চাইলেই কিন্তু প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে পারেনা কেননা এক্ষেত্রে অনেক আইনি জটিলতা থাকে।

সি-প্যানেল এর ফুল এক্সেস

অর্থাৎ আপনি যেই কোম্পানি থেকে ওয়েব হোস্টিং নিচ্ছেন তারা কি আপনাকে সি-প্যানেলের ফুল এক্সেস বা কনট্রল প্যানেল দিচ্ছে কিনা এটা দেখতে হবে। যদি প্রতিষ্ঠানটি সি-প্যানেল এর ফুল এক্সেস না দিয়ে থাকে তাহলে কখন ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব হোস্টিং নেওয়া যাবেনা।

হিডেন চার্জ

মনে করুন আপনি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব হোস্টিং নিয়েছেন। আপনি ওয়েব হোস্টিং টি কিনেছেন ২০০০ টাকা দিয়ে। কিন্তু দেখা গেলো পরবর্তি বছর রিনিও করার ক্ষেত্রে বিল এসেছে ৩০০০ টাকা কিন্তু এটা কোথায়ও উল্লেখ করা ছিলোনা। এক্ষেত্রে এই ধরনের প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে ওয়েব হোস্টিং নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

ট্র্যান্সফার

ট্র্যান্সফারের বিষয়টি অতান্ত গুরুতপূর্ন। কেননা ধরুন আপনি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব হোস্টিং নিয়েছেন কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পর তারা তাদের সার্ভিসের মূল্য বৃদ্ধি করেছে অথবা তাদের সার্ভিস আপনাকে আশানুরূপ সেটিস্ফাইড করতে পারেনি বা অন্য যে কোন কারনে আপনি ওয়েব হোস্টিং টি ট্র্যান্সফার করতে হচ্ছে। কিন্তু উক্ত প্রতিষ্ঠানটি যদি ট্র্যান্সফারের অপশন না রাখে তাহলে আপনাকে অনেক বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। তাই ওয়েব হোস্টিং ট্র্যান্সফারের বিষয়টি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন।

Flexibility

এখানে ফ্লেগজিবিলিটি বলতে নমনীয়তার কথা বলা হয়নি। এখানে ফ্লেগজিবিলিটি বলতে বোঝানো হয়েছে মনে করুন এপনি একটা ওয়েব হোস্টিং প্যাকেজ নিলেন এখন ১ জিবি। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পরে আপনার মনে হলো ১জিবিতে হচ্ছে না আপনার ২জিবি ওয়েব হোস্টিং প্রয়োজন বা এর চাইতেও ভালো কোন প্যাকেজের প্রয়োজন। তো এক্ষেত্রে আপনার প্যাকেজটি ১ জিবি থেকে ২জিবি প্যাকেজে আপগ্রেড করতে হবে। এখন দেখতে হবে যে আপনি যেই প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস নিয়েছেন তারা কি আপনাকে ১ জিবি থেকে ২ জিবিতে আপগ্রেড করার সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে কিনা। এটা আপনাকে আগেথেকে জেনে নিতে হবে।

Quality

ওয়েব হোস্টিং এর কোয়ালিটি বলতে সাধারণত আমরা চারটি বিষয়কে বুজে থাকি। যেমনঃ

  1. সার্ভার আপটাইম কেমন
  2. সার্ভার স্পীড কেমন
  3. সার্ভার সিকিউরিটি কেমন এবং
  4. সার্ভারের লোকেশন আমেরিকাতে কিনা

Pricing

ওয়েব হোস্টিং নির্বাচন করার ক্ষেত্রে সর্বোশেষ যে বিষয়টির কথা আমরা চিন্তা করবো সেটি হচ্ছে প্রাইস বা মূল্য। দেখুন আমরা অনেক সময় ইন্টারনেটে অনেক বিজ্ঞাপন দেখে থাকি যে ১০ জিবি ওয়েব হোস্টিং ১০০০ টাকা বা ২০ জিবি ওয়েব হোস্টিং ২০০০ টাকা। আমরা এই অল্প টাকায় এত বেশী স্পেস দেখেই সাধারণত এই ধরনের হোস্টিং প্যাকেজ গুলি কিনে থাকি। সত্যি বলতে এটা করা একেবারেই উচিৎ নয়। আপনাকে আগে দেখতে হবে তারা সার্ভারের কোয়ালিটি অনুযায়ী হোস্টিং এর মূল্য নিদ্ধারন করছে কিনা। অবশ্যই মনে রাখবেন ভালো কিছু পেতে হলে ভালো কিছু টাকাও খরচ করে হবে।

Share this
29 Sep

How to Start an E-commerce Business in Bangla Step by Step

ই-কমার্স ব্যাবসায় শুরু করার আগে অনেকেই কনফিউসড থাকেন যে কত টাকা এই ব্যাবসায়ের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু খুবি সহজ। ই-কমার্স ব্যাবসায়ে আপনি যে আয় করতে পারবেন এর কোন গ্যারান্টি নেই! সঠিক নিয়মে আপনার ই-কমার্স ব্যাবসায়টি শুরু করলে হতে পারে আপনি প্রতি মাসে ১,০০,০০০ টকা আয় করতে পারেন আবার হতে পারে আপনি ১,০০,০০,০০০ টাকাও আয় করতে পারেন। এটা সম্পূর্ণ আপনার ওপর নির্বর করে যে আপনি ই-কমার্স স্টোর টিকে কিভাবে মেইনটেইন করছেন। এখানে আপনার মনে আরো একটি প্রশ্ন আসতে পারে! সেটি হচ্ছে আমি যে ই-কমার্স ব্যবসায় করবো আমি কি সফল হবো? দেখুন প্রায় প্রতিটি ব্যাবসায়ের মধ্যেই কম বেশি ঝুঁকি থাকে। এখানে সফলতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ঝুঁকি নিতে হবে। মনে রাখবেন যে কাজে ঝুকির পরিমান বেশি সে কাজে প্রফিটের পরিমানও কিন্তু বেশি থাকে। তার মানে এই না যে আপনি প্রয়োজন ছাড়াই ঝুঁকি নিবেন। এখন কথা হচ্ছে আপনি যদি সঠিক ভাবে আপনার ই-কমার্স ব্যাবসায়টি শুরু করেন এবং সঠিক ভাবে মেইনটেইন করেন তাহলে অবশ্যই আপনি সফলতা অর্জন করবেন। আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমারা ই-কমার্স ব্যবসায়ের সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।

What is E-commerce Business?

সাধারন অর্থে ই-কমার্স ব্যাবসায় হচ্ছে একটি অনলাইন শপ যেখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য-দ্রব্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাজানো থাকে এবং সাধারন মানুষ ওয়েবসাইটে গিয়ে পণ্য-দ্রব্য গুলি দেখতে পারে এবং কেনাকাটা করতে পারে। বর্তমানে ই-কমার্স ব্যাবসায়ের চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃ্দ্বি পাচ্ছে। এর অন্যতম প্রধান কারন হলো ই-কোমার্স ব্যাবসায়ের সহজলব্যতা। ই-কমার্স ব্যাবসায় কি এবং কিভাবে শুরু করতে হবে এই বিষয় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিও টিওটোরিয়ালটি দেখুন।

Difference Between E-commerce Business & Traditional Business

ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায়ের মধ্যে পার্থক্য জানতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায় কি?

ই-কমার্স ব্যাবসায় হচ্ছে আপনার একটি অনলাইন শপ থাকবে যেখানে মানুষ ঘরে বসেই পণ্য-দ্রব্য ক্রয় করতে পারবে।

অন্যদিকে ট্রেডিশনাল ব্যাবসায় হচ্ছে আপনার একটি পিসিকাল শপ থাকতে হবে যেখানে ক্রেতারা সরাসরি এসে পণ্য-দ্রব্য কেনাকাটা করবে।

উল্লেখ্যঃ এখানে শুধু ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায়ের গঠন প্রনালির কথা বলা হয়েছে। ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায়ের পার্থক্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে এই ভিডিওটি দেখুন।

Target the Profitable E-commerce Niches

আপনি যখনি মাইন্ড সেটআপ করলেন যে ই-কমার্স ব্যাবসায় করবেন তার পরবর্তী ধাপ হলো নিশ বা পণ্য সিলেক্ট করা। এখানে নিশ সিলেক্ট করা বলতে বুঝানো হয়েছে আপনি কোন বিষয় নিয়ে বা কোণ ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করবেন সেটি সিলেক্ট করা। তার মানে এইনা যে আপনি ই-কমার্স ব্যাবসায় করলে যেকোন একটি ক্যাটাগরির পণ্য নিয়ে কাজ করতে হবে! আপনি চাইলে অনেক গুলো ক্যাটাগরি নিয়েও কাজ করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আমার সাজেশন হোল শুরুতে যে কোণ একটি বিষয় নিয়ে কাজ করা। কেননা এতে অনেক এ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায়। কিভাবে নিশ সিলেক্ট করবেন এবং নিশ সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Guide to Invest in E-commerce Business

অনেকেই ভাবতে পারেন ব্যাবসায়ে ইনবেস্ট করবো এতে ভাবার কি আছে? ওয়েবসাইট তৈরি করলাম পণ্য কিনলাম ব্যাস এইতো ইনবেস্ট! আপনিও যদি এমনটা ভেবে থাকেন তাহলে আমি নিশ্চিত আপনি কখনওই বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যাবসায়ে সফল হতে পারবেননা। অন্য কোন ব্যাবসায়ে পারবেন কিনা তা অবশ্য আমার জানা নেই।

প্রফেশনাল ভাবে যেকোন কাজ করতে হলে একটা রুলস বা নিয়ম মেনে করতে হয়। ব্যাবসায়ে সঠিক নিয়মে ইনবেস্টমেন্টের মাধ্যমে ঠিক যেমন ভাবে আপনি সাফল্যের চূড়য় উঠতে পারবেন ঠিক একই ভাবে একটু ভুল করলে হতে হবে চরম ভোগান্তির শিকার। কিভাবে ই-কমার্স ব্যাবসায়ে ইনবেস্ট করতে হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Product Selection for E-commerce Business

ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। কেননা আপনি ধরুন একটা প্রোডাক্ট সিলেক্ট করলেন বিক্রি করা জন্য কিন্তু দেখা গেল বাজারে এই পণ্যটির খুব বেশী একটা চাহিদা নেই। তাহলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে এই পণ্যটির আশানুরূপ সেল পাবেননা। যার ফলে আপনাকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

অপরদিকে যদি আপনি প্রোডাক্ট সিলেক্ট করার আগে পণ্যটি সম্পর্কে ভালভাবে ধারণা নিয়ে থাকে তাহলে আপনাকে উক্ত ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবেনা। তাই ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Web Hosting for E-commerce Business

যেহেতু ই-কমার্স ব্যাবসায়টি মূলত অনলাইনের মাধ্যমে সম্পাদন করতে হয় তাই এই ক্ষেত্রে একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও একটি ওয়েবসাইটের অনেকগুলি সুযোগ-সুবিধা আছে। তার মধ্যে অন্যতম সুবিধা হলো আপনার পিসিকাল কোন শপ এর প্রয়োজন হয়না। আপনি অনালাইনের মাধ্যেমি কাস্টমারদের ম্যানেজ করতে পারবেন। এতে করে খরচ কিছুটা হলেও হ্রাস পায়। বিজ্ঞাপন বা প্রচার-প্রচারনাতেও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়াও অনেক সুবিধা আছে যা আমি এখানে উল্লেখ করিনি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরি করবো বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি বিষয় বস্তুর প্রয়োজন হয়? সাধারনত একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়। ডোমেইন মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটের নাম (zhostbd.com) আর হোস্টিং হচ্ছে যেখানে ওয়েবসাইটের ডেটা গুলো ষ্টোর করা থাকবে। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন হোস্টিং নির্বাচন করা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

How to Create E-commerce Website and Manage Easily

ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো ওয়ার্ডপ্রেস। পূর্বে যদি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে কোন প্রকার ধারনা না থাকে তাহলে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে ওয়ার্ডপ্রেস কি? ওয়ার্ডপ্রেস হলো এমন একটি Content Management System (CMS) যেটার মাধ্যমে কোন ধরনের কোডিং নলেজ ছাড়াই খুব সহজে এবং অল্প সময়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করার অন্যতম সুবিধা হলো ওয়েবসাইট ম্যানেজ করা।

ধরুন আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে কিন্তু ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা নেই। এই ক্ষেত্রে আপনাকে একজন ওয়েবসাইট ডেভেলপার রাখতে হবে। এতে আপনার খরচ ও বেড়ে যাবে। কিন্ত যদি আপনার ওয়েবসাইটটি ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়ে থাকে তাহলে আপনি নিজেই ই-কমার্স ওয়েবসাইটটি ম্যানেজ করতে পারবেন। কিভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি এবং ম্যানেজ করতে তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

How to Attracting Customers to Your E-commerce Store

কাস্টমারদের আপনার ই-কমার্স ষ্টোরটিতে আকর্ষন করা অনেকটা চ্যালেঞ্জিং যদি না আপনি সঠিক গাইডলাইন ব্যাবহার না করেন এবং এটা অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়ও বটে। আমি এক্ষেত্রে একটা উদাহারন দেই। ধরুন আপনার ই-কমার্স ষ্টোরে আপনি অনেক টার্গেটেড ভিজিটর নিয়ে আসলেন। কিন্তু দেখা গেলো এত ভিজিটর থাকার পরেও কাক্ষিত সেল পাচ্ছেননা। এর একটাই কারন আপনার ই-কমার্স ষ্টোরটিতে কাস্টমারদের আকর্ষন করাতে আপনি ব্যার্থ। কিভাবে আপনার ই-কমার্স ষ্টোরে কাস্টমারদের আকর্ষন বাড়াবেন এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

How to Find the Right Vendor for E-commerce Business

কিভাবে সঠিক ভেন্ডর খুজে পাবেন সে সম্পর্কে জানার আগে আমাদের জানা উচিৎ ভেন্ডর কি বা ভেন্ডর কাকে বলা হয়? ভেন্ডর শব্দটি খুব বেশী জনপ্রিয় সাপলাইয়ার হিসেবে। অর্থাৎ ভেন্ডর হল এমন ধরনের ব্যক্তি বা সংস্থা যারা অর্থনৈতিক উত্পাদন শৃঙ্খলে অন্য কারও কাছে পণ্য বা পরিষেবা বিক্রয় করে।

ভেন্ডর নির্বাচন করার আগে সর্বপ্রথম আপনাকে ভেন্ডরের পণ্যের গুণগত মান দেখতে হবে এবং পূর্বে যারা ঐ ভেন্ডরের কাছে থেকে পণ্য সংগ্রহ করেছে তাদের মতামত বা রিভিও দেখতে হবে। তারপরে পণ্যের মূল্য বা একই রকম পণ্য অন্যান্য ভেন্ডর কি দামে সেল করতেছে এসব বিষয় গুলি মাথায় রেখে ভেন্ডর নির্বাচন করতে হবে। কিভাবে সঠিক ভেন্ডর নির্বাচন করবেন এই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Establish Your Brand & Business Properly for E-commerce Business

সফলভাবে ব্র্যান্ড বিল্ড করা ই-কমার্স ব্যবসায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনি যদি কোনও ব্যবসায় সাফল্য পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি ব্র্যান্ড বা পরিচয় তৈরি করতে হবে এবং আপনার ব্যবসায়ে সঠিকভাবে ব্র্যান্ডিং স্থাপন করতে হবে। কিভাবে একটি ইকমার্স ব্যবসাকে সঠিকভাবে ব্র্যান্ড করা যায় সে সম্পর্কে নিছে কিছু টিপস দেওয়া হয়েছে।

ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠাকরন

  • সুন্দর ও আকর্ষনিয় লোগো তৈরি করুন।
  • আপনার ব্র্যান্ড ম্যাসেজিং লিখুন।
  • ব্র্যান্ড ইন্টিগ্রেট করুন।
  • প্রতিচ্ছবিমূলক কোম্পানি ভয়েজ তৈরি করুন।
  • ট্যাগলাইন ব্যাবহার করুন।
  • ই-কমার্স ব্যাবসায়ে সফলভাবে ব্র্যান্ড বিল্ড করা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Marketing Plan for E-commerce Business

মার্কেটিং বা বিপনন হল এমন একটা বিষয় যেটাতে কিনা আপনি যত বেশী সফলতা অর্জন করবেন তত বেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে এবং তত বেশী আপনার পণ্য-দ্রব্য সেল হবে। তাই বেশির ভাগ বড় বড় কোম্পানি গুলো সবচেয়ে বেশী খরচ করে থাকে মার্কেটিং বা তাদের পণ্য বিপননের ক্ষেত্রে।

মার্কেটিং এর শত শত প্রকারভেদ রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান দুটি হলো অনলাইন মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং এবং আপরটি হল অফলাইন মার্কেটিং। ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য কিভাবে মার্কেটিং করতে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

E-commerce shipping/delivery/courier Solutions for Bangladeshi Sellers

ই-কমার্স ব্যাবসায়ের সর্বশেষ যে পার্ট সেটি হলো শিপিং বা ডেলিভারি। ই-কমার্স ব্যাবসায়ে কিভাবে শিপিং বা ডেলিভারি করতে হবে তা নিয়ে নিচে কিছু টিপস দেওয়া হল।

শিপিং বা ডেলিভারি সমাধান

  • ওয়েবসাইটে শিপিং বা ডেলিভারির ব্যাপারে অবশ্যই শর্ত বা নিয়মাবলী ব্যাবহার করে করবেন।
  • ভালমানের শিপিং উপাদান যেমনঃ কার্টুন, প্যাকেজিং ইত্যাদি ব্যাবহার করুন।
  • ভিবিন্ন ধরনের ডেলিভারি খরচ রাখতে পারেন যেমনঃ ফ্রি ডেলিভারি, নির্দিষ্ট ডেলিভারি খরচ অথবা পরিবর্তংশীল ডেলিভারি খরচ।
  • এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।
Share this
22 Aug

Learn How to Manage WordPress for Free Within a Week

WordPress কি?

ওয়ার্ডপ্রেস হল এমন একটি Content Management System (CMS) যেটার মাধ্যমে কোন ধরনের কোডিং নলেজ ছাড়াই খুব সহজে এবং অল্প সময়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়।

WordPress কেনো শিখবেন?

বর্তমান সময়ে ছোট বড় যেকোন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েবসাইটের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি ওয়েব সাইটের মাধ্যামে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানকে খুব সহজে মানুষের সামনে তুলে ধরতে পারেন। এমনকি আপনি চাইলে আপনার ব্যাবসায়িক পণ্য বা সেবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে সেল করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং করে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস গুলোতে এমন অনেক প্রফেশনাল খুজে পাবেন যারা ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করে মাসে বেশ হ্যান্ডসাম একটা এমাউন্ট আয় করছে। ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ শিখে আরো অনেক ভাবে আয় করা যায়। যেমন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্লগিং, লিড জেনারেট ইত্যাদি। এগুলো সম্পর্কে আমি অন্য একটি আর্টকেলে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

WordPress শেখার জন্য কি কি Equipment এর প্রয়োজন হবে?

আমি আর্টিকেলটির শুরুতেই বলেছি ওয়ার্ডপ্রেস হলো এমন একটি CMS যার মাধ্যমে যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন কোন রকম কোডিং এর ব্যাবহার না করে। তাই Equipment বলতে এখানে কেবল মাত্র দুইটি জিনিসের প্রয়োজন হবে একটি হচ্ছে ডোমেইন (ওয়েবসাইটের নাম বা ঠিকানা) এবং অপরটি হচ্ছে ওয়েব হোস্টিং অর্থাৎ যেখানে ওয়েবসাইটটি হোস্ট করা হবে।
আপনি চাইলে ডোমেইন হোস্টিং ছাড়াও আপনার পিসির লোকাল হোস্টে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ দিয়ে কাজ করতে পারবেন।

WordPress কিভাবে শিখবেন?

ওয়ার্ডপ্রেস এর মধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করা শিখতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে Content Management System(CMS) সম্পর্কে ধারনা নিতে হবে। যেমন Content Management System (CMS) কি? CMS হলো এমন একটি ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন যেটার মাধ্যমে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা এবং ম্যানেজ করা যায়। এই CMS আবার দুইটি ক্ষেত্রে ব্যাবহারিত হয়ে থাকে। একটি হলো Enterprise Content Management (ECM) এবং অপরটি হলো Web Content Management (WCM).

তারপরে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে হোস্টিং বা cPanel এ WordPress install করতে হবে।

কিভাবে cPanel এ WordPress install করবেন তা জানতে হলে আমাদের এই ভিডিওটি দেখুন।

WordPress Hosting in Bangladesh – WordPress Install with One Click Installer Bangla Tutorial.

 

ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল দেওয়ার পর আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস এর ড্যাশবর্ড সম্পর্কে ধারনা নিতে। ওয়ার্ডপ্রেস এর ড্যাশবর্ড সম্পর্কে ধারনা নিতে এই ভিডিওটি দেখুন।

WordPress dashboard tutorial in Bangla.

 

তারপরে যথাক্রমে আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস থিম আপলোড করা, কনটেন্ট আপলোড করা, পেজ ক্রিয়েট করা, ওয়েবসাইটের হেডার ও ফুটার এডিট করা ফুটারে কনটেন্ট দেওয়া ইত্যাদি আরো অনেক কিছু শিখতে হবে। যেগুলো সম্পর্কে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে অলরেডি ১৯টা ভিডিও আপলোড করা হয়েছে। আমাদের চ্যানেল এর এই ভিডিও গুলি সম্পূর্ন দেখলে আপনি একটি সম্পূর্ন ওয়েবসাইট ম্যানেজ করতে পারবেন।

সম্পূর্ন ইউটিউব ভিডিও কর্স লিংকঃ https://bit.ly/2z7EFwy

পৃথিবী পরিবর্তনশীল! তাই বলে ওয়ার্ডপ্রেস যে ভিন্ন নিয়ম মেনে চলবে তা কিন্তু নয়। ওয়ার্ডপ্রেস এর ও প্রতিনিয়ত আপডেট আসতে থাকে। তাই ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে আপডেট পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে নটিফিকেশন আইকনটিতে ক্লিক করতে ভুলবেননা।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল লিংকঃ https://goo.gl/itPfzm

Share this
15 Jul

WordPress General Settings tutorial in Bangla – WordPress basic tutorial – Part2

In the last episode we discussed about introduction of dashboard, here we recognized a little concept about dashboard and how to change it easily. Today we will see how to work with general setting in dashboard. Now we will move to our main tutorial.

Here we can see a dashboard, now we will move to general setting from settings option. At the top of this page, we can see site title option. Here we can write our site title. This option mainly use to explain what the title of this site is. The My Blog word has left site in the top of dashboard. We can also see it in our own website. If we change the name “My Blog” into “My first Blog” and save the page, it also change the first page of our website.

Under the “site title” we can see “tagline” the right site of tagline we introduce with a new word which is “My WordPress Blog” we can also see the word in the first page of our website, under the word of “My First Blog”. This option mainly use to explain what this site is about.

Now, if we change the word “My WordPress Blog” into “My Example Blog” and save the page at the same time we refresh our main page, we will see the word “My Example Blog” instead the word “My WordPress Blog”.

After the completing previews task we also recognize with a new word that is “WordPress address (URL)” this URL is also knows as our website URL. Under this option, we can see “Site Address (URL)” option. This option mainly showing our dashboard URL.

After this, we know about “Email Address”. Here we write our Gmail Address. The main purpose of email address is getting all kind of update notification about WordPress and plugins through this email address.

After that we can see membership option, it usually use for registration user, if we enable this option then any kind of user can registration in our website if we disable then no one can do it.

Then we also destine “New User Default Role”. By default its given subscriber. If we want then we can change it for ours need. If we want to know about user roles, we have to go WordPress codex, after that we find some criteria about summary of roles.

There are 6 types of user role in WordPress.

1.Super Admin: the main task of supper admin is creating network by using multisite.
2.Administrator: Someone who can edit, update or delete anything to do the site. Overall he can do any administrative work.
3.Editor: He can manage and edit any other user’s post, approve, delete or publish them. He can also manage his own post.
4.Author: An author can only manage and edit their own post. And also delete them if he want.
5.Contributor: Someone who can only write their own post but cannot publish it.
6.Subscriber: They only create their own profile and manage them. But they cannot do any other work like create or update post or anything else.

We already create 4 user for describe about role of user default. We can find out user create by use all user option. Now we can see 5 user, I’m going to show you individual user for individual work.

At first, we can see author, as an author we log in, after log in we go to new post option by using posts option, then create a post and publish also, after publish the post we can watch it at our site as author post.

As a contributor we log in our site and go to add new post by using posts option, then create a new post And we can see. we just submit it but can’t publish, we already know a contributor just create a new post he can’t publish it. We refresh our site but we can’t see any post as a contributor post.

As an editor we log in our site and go to all post by using posts option after that we edit a post which is post by contributor, as an editor he can publish this post. If the editor publish this post we can found a new post in our website as a contributor post.

As a subscriber we log in the site he can only mange profile, he can’t get any kind of opportunity like that create post or edit post, he can only create a page and maintains this.

After known all user role we back to general settings page. Under new user default role we can see an option which is “site language” option. To use this, we can select your suitable language which one you want to use your website. By default it’s given in English.

In timezone option, we can select our standard time which is correct for our city zone. Then we can see Date Format option. Here we can set our website date format. By default, multi options are given there. If we select one of theme. Then our site date format is automatically changed. After this, we can set our website time format in Time Format option. Here is also multi options are given. And we can select one of them to change our site time format.

At last, we can see Week Starts On option. In this place we can set our website first day of the week. By default, there is given Monday. But if we want we can set any other day of the week .Here I am selecting Saturday option. After all of this done, we can save this page. Then our site will be saved this changes. We can see all of changes in our front page of website.

Conclusion:
General settings is playing an important role to make a WordPress site. If we do not know about it elaborately then we cannot manage our WordPress site properly. So we need to know about it. In this tutorial, I am trying to explain everything about this page. I hope that, if you follow this tutorial instructions then you can easily manage this page as you like.

That was for today, in the next tutorial we will discuss about writing and listening. We hope, you guys keep with us for the next tutorial, Allah Hafez.

Watch the video on YouTube: WordPress dashboard tutorial in Bangla – WordPress basic tutorial – Part2

To keep in touch with us please follow us on:
Please subscribe our YouTube channel: https://www.youtube.com/c/Zhostbdwebs
Facebook: https://www.facebook.com/zhostbd/
Google+: https://plus.google.com/+Zhostbdwebs
Join zHost Academy Facebook Group: https://www.facebook.com/groups/zHostacademy/

We appreciate if you like, comment or share our videos to help your friends and build a helpful community in Bangladesh.

Share this