29 Sep

How to Start an E-commerce Business in Bangla Step by Step

ই-কমার্স ব্যাবসায় শুরু করার আগে অনেকেই কনফিউসড থাকেন যে কত টাকা এই ব্যাবসায়ের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু খুবি সহজ। ই-কমার্স ব্যাবসায়ে আপনি যে আয় করতে পারবেন এর কোন গ্যারান্টি নেই! সঠিক নিয়মে আপনার ই-কমার্স ব্যাবসায়টি শুরু করলে হতে পারে আপনি প্রতি মাসে ১,০০,০০০ টকা আয় করতে পারেন আবার হতে পারে আপনি ১,০০,০০,০০০ টাকাও আয় করতে পারেন। এটা সম্পূর্ণ আপনার ওপর নির্বর করে যে আপনি ই-কমার্স স্টোর টিকে কিভাবে মেইনটেইন করছেন। এখানে আপনার মনে আরো একটি প্রশ্ন আসতে পারে! সেটি হচ্ছে আমি যে ই-কমার্স ব্যবসায় করবো আমি কি সফল হবো? দেখুন প্রায় প্রতিটি ব্যাবসায়ের মধ্যেই কম বেশি ঝুঁকি থাকে। এখানে সফলতা অর্জন করতে হলে অবশ্যই আপনাকে ঝুঁকি নিতে হবে। মনে রাখবেন যে কাজে ঝুকির পরিমান বেশি সে কাজে প্রফিটের পরিমানও কিন্তু বেশি থাকে। তার মানে এই না যে আপনি প্রয়োজন ছাড়াই ঝুঁকি নিবেন। এখন কথা হচ্ছে আপনি যদি সঠিক ভাবে আপনার ই-কমার্স ব্যাবসায়টি শুরু করেন এবং সঠিক ভাবে মেইনটেইন করেন তাহলে অবশ্যই আপনি সফলতা অর্জন করবেন। আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমারা ই-কমার্স ব্যবসায়ের সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।

What is E-commerce Business?

সাধারন অর্থে ই-কমার্স ব্যাবসায় হচ্ছে একটি অনলাইন শপ যেখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য-দ্রব্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাজানো থাকে এবং সাধারন মানুষ ওয়েবসাইটে গিয়ে পণ্য-দ্রব্য গুলি দেখতে পারে এবং কেনাকাটা করতে পারে। বর্তমানে ই-কমার্স ব্যাবসায়ের চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃ্দ্বি পাচ্ছে। এর অন্যতম প্রধান কারন হলো ই-কোমার্স ব্যাবসায়ের সহজলব্যতা। ই-কমার্স ব্যাবসায় কি এবং কিভাবে শুরু করতে হবে এই বিষয় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিও টিওটোরিয়ালটি দেখুন।

Difference Between E-commerce Business & Traditional Business

ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায়ের মধ্যে পার্থক্য জানতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায় কি?

ই-কমার্স ব্যাবসায় হচ্ছে আপনার একটি অনলাইন শপ থাকবে যেখানে মানুষ ঘরে বসেই পণ্য-দ্রব্য ক্রয় করতে পারবে।

অন্যদিকে ট্রেডিশনাল ব্যাবসায় হচ্ছে আপনার একটি পিসিকাল শপ থাকতে হবে যেখানে ক্রেতারা সরাসরি এসে পণ্য-দ্রব্য কেনাকাটা করবে।

উল্লেখ্যঃ এখানে শুধু ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায়ের গঠন প্রনালির কথা বলা হয়েছে। ই-কমার্স এবং ট্রেডিশনাল ব্যাবসায়ের পার্থক্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হলে এই ভিডিওটি দেখুন।

Target the Profitable E-commerce Niches

আপনি যখনি মাইন্ড সেটআপ করলেন যে ই-কমার্স ব্যাবসায় করবেন তার পরবর্তী ধাপ হলো নিশ বা পণ্য সিলেক্ট করা। এখানে নিশ সিলেক্ট করা বলতে বুঝানো হয়েছে আপনি কোন বিষয় নিয়ে বা কোণ ধরনের পণ্য নিয়ে কাজ করবেন সেটি সিলেক্ট করা। তার মানে এইনা যে আপনি ই-কমার্স ব্যাবসায় করলে যেকোন একটি ক্যাটাগরির পণ্য নিয়ে কাজ করতে হবে! আপনি চাইলে অনেক গুলো ক্যাটাগরি নিয়েও কাজ করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আমার সাজেশন হোল শুরুতে যে কোণ একটি বিষয় নিয়ে কাজ করা। কেননা এতে অনেক এ্যাডভান্টেজ পাওয়া যায়। কিভাবে নিশ সিলেক্ট করবেন এবং নিশ সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Guide to Invest in E-commerce Business

অনেকেই ভাবতে পারেন ব্যাবসায়ে ইনবেস্ট করবো এতে ভাবার কি আছে? ওয়েবসাইট তৈরি করলাম পণ্য কিনলাম ব্যাস এইতো ইনবেস্ট! আপনিও যদি এমনটা ভেবে থাকেন তাহলে আমি নিশ্চিত আপনি কখনওই বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যাবসায়ে সফল হতে পারবেননা। অন্য কোন ব্যাবসায়ে পারবেন কিনা তা অবশ্য আমার জানা নেই।

প্রফেশনাল ভাবে যেকোন কাজ করতে হলে একটা রুলস বা নিয়ম মেনে করতে হয়। ব্যাবসায়ে সঠিক নিয়মে ইনবেস্টমেন্টের মাধ্যমে ঠিক যেমন ভাবে আপনি সাফল্যের চূড়য় উঠতে পারবেন ঠিক একই ভাবে একটু ভুল করলে হতে হবে চরম ভোগান্তির শিকার। কিভাবে ই-কমার্স ব্যাবসায়ে ইনবেস্ট করতে হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Product Selection for E-commerce Business

ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। কেননা আপনি ধরুন একটা প্রোডাক্ট সিলেক্ট করলেন বিক্রি করা জন্য কিন্তু দেখা গেল বাজারে এই পণ্যটির খুব বেশী একটা চাহিদা নেই। তাহলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে এই পণ্যটির আশানুরূপ সেল পাবেননা। যার ফলে আপনাকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

অপরদিকে যদি আপনি প্রোডাক্ট সিলেক্ট করার আগে পণ্যটি সম্পর্কে ভালভাবে ধারণা নিয়ে থাকে তাহলে আপনাকে উক্ত ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবেনা। তাই ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয়। ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Web Hosting for E-commerce Business

যেহেতু ই-কমার্স ব্যাবসায়টি মূলত অনলাইনের মাধ্যমে সম্পাদন করতে হয় তাই এই ক্ষেত্রে একটি ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও একটি ওয়েবসাইটের অনেকগুলি সুযোগ-সুবিধা আছে। তার মধ্যে অন্যতম সুবিধা হলো আপনার পিসিকাল কোন শপ এর প্রয়োজন হয়না। আপনি অনালাইনের মাধ্যেমি কাস্টমারদের ম্যানেজ করতে পারবেন। এতে করে খরচ কিছুটা হলেও হ্রাস পায়। বিজ্ঞাপন বা প্রচার-প্রচারনাতেও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়াও অনেক সুবিধা আছে যা আমি এখানে উল্লেখ করিনি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য ওয়েবসাইট কিভাবে তৈরি করবো বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি বিষয় বস্তুর প্রয়োজন হয়? সাধারনত একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং এর প্রয়োজন হয়। ডোমেইন মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটের নাম (zhostbd.com) আর হোস্টিং হচ্ছে যেখানে ওয়েবসাইটের ডেটা গুলো ষ্টোর করা থাকবে। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন হোস্টিং নির্বাচন করা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

How to Create E-commerce Website and Manage Easily

ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো ওয়ার্ডপ্রেস। পূর্বে যদি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে কোন প্রকার ধারনা না থাকে তাহলে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে ওয়ার্ডপ্রেস কি? ওয়ার্ডপ্রেস হলো এমন একটি Content Management System (CMS) যেটার মাধ্যমে কোন ধরনের কোডিং নলেজ ছাড়াই খুব সহজে এবং অল্প সময়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করার অন্যতম সুবিধা হলো ওয়েবসাইট ম্যানেজ করা।

ধরুন আপনার একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে কিন্তু ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা নেই। এই ক্ষেত্রে আপনাকে একজন ওয়েবসাইট ডেভেলপার রাখতে হবে। এতে আপনার খরচ ও বেড়ে যাবে। কিন্ত যদি আপনার ওয়েবসাইটটি ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়ে থাকে তাহলে আপনি নিজেই ই-কমার্স ওয়েবসাইটটি ম্যানেজ করতে পারবেন। কিভাবে ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি এবং ম্যানেজ করতে তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

How to Attracting Customers to Your E-commerce Store

কাস্টমারদের আপনার ই-কমার্স ষ্টোরটিতে আকর্ষন করা অনেকটা চ্যালেঞ্জিং যদি না আপনি সঠিক গাইডলাইন ব্যাবহার না করেন এবং এটা অনেক গুরুত্বপূর্ন একটা বিষয়ও বটে। আমি এক্ষেত্রে একটা উদাহারন দেই। ধরুন আপনার ই-কমার্স ষ্টোরে আপনি অনেক টার্গেটেড ভিজিটর নিয়ে আসলেন। কিন্তু দেখা গেলো এত ভিজিটর থাকার পরেও কাক্ষিত সেল পাচ্ছেননা। এর একটাই কারন আপনার ই-কমার্স ষ্টোরটিতে কাস্টমারদের আকর্ষন করাতে আপনি ব্যার্থ। কিভাবে আপনার ই-কমার্স ষ্টোরে কাস্টমারদের আকর্ষন বাড়াবেন এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

How to Find the Right Vendor for E-commerce Business

কিভাবে সঠিক ভেন্ডর খুজে পাবেন সে সম্পর্কে জানার আগে আমাদের জানা উচিৎ ভেন্ডর কি বা ভেন্ডর কাকে বলা হয়? ভেন্ডর শব্দটি খুব বেশী জনপ্রিয় সাপলাইয়ার হিসেবে। অর্থাৎ ভেন্ডর হল এমন ধরনের ব্যক্তি বা সংস্থা যারা অর্থনৈতিক উত্পাদন শৃঙ্খলে অন্য কারও কাছে পণ্য বা পরিষেবা বিক্রয় করে।

ভেন্ডর নির্বাচন করার আগে সর্বপ্রথম আপনাকে ভেন্ডরের পণ্যের গুণগত মান দেখতে হবে এবং পূর্বে যারা ঐ ভেন্ডরের কাছে থেকে পণ্য সংগ্রহ করেছে তাদের মতামত বা রিভিও দেখতে হবে। তারপরে পণ্যের মূল্য বা একই রকম পণ্য অন্যান্য ভেন্ডর কি দামে সেল করতেছে এসব বিষয় গুলি মাথায় রেখে ভেন্ডর নির্বাচন করতে হবে। কিভাবে সঠিক ভেন্ডর নির্বাচন করবেন এই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Establish Your Brand & Business Properly for E-commerce Business

সফলভাবে ব্র্যান্ড বিল্ড করা ই-কমার্স ব্যবসায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনি যদি কোনও ব্যবসায় সাফল্য পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি ব্র্যান্ড বা পরিচয় তৈরি করতে হবে এবং আপনার ব্যবসায়ে সঠিকভাবে ব্র্যান্ডিং স্থাপন করতে হবে। কিভাবে একটি ইকমার্স ব্যবসাকে সঠিকভাবে ব্র্যান্ড করা যায় সে সম্পর্কে নিছে কিছু টিপস দেওয়া হয়েছে।

ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠাকরন

  • সুন্দর ও আকর্ষনিয় লোগো তৈরি করুন।
  • আপনার ব্র্যান্ড ম্যাসেজিং লিখুন।
  • ব্র্যান্ড ইন্টিগ্রেট করুন।
  • প্রতিচ্ছবিমূলক কোম্পানি ভয়েজ তৈরি করুন।
  • ট্যাগলাইন ব্যাবহার করুন।
  • ই-কমার্স ব্যাবসায়ে সফলভাবে ব্র্যান্ড বিল্ড করা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

Marketing Plan for E-commerce Business

মার্কেটিং বা বিপনন হল এমন একটা বিষয় যেটাতে কিনা আপনি যত বেশী সফলতা অর্জন করবেন তত বেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে এবং তত বেশী আপনার পণ্য-দ্রব্য সেল হবে। তাই বেশির ভাগ বড় বড় কোম্পানি গুলো সবচেয়ে বেশী খরচ করে থাকে মার্কেটিং বা তাদের পণ্য বিপননের ক্ষেত্রে।

মার্কেটিং এর শত শত প্রকারভেদ রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান দুটি হলো অনলাইন মার্কেটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং এবং আপরটি হল অফলাইন মার্কেটিং। ই-কমার্স ব্যাবসায়ের জন্য কিভাবে মার্কেটিং করতে হয় তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন।

E-commerce shipping/delivery/courier Solutions for Bangladeshi Sellers

ই-কমার্স ব্যাবসায়ের সর্বশেষ যে পার্ট সেটি হলো শিপিং বা ডেলিভারি। ই-কমার্স ব্যাবসায়ে কিভাবে শিপিং বা ডেলিভারি করতে হবে তা নিয়ে নিচে কিছু টিপস দেওয়া হল।

শিপিং বা ডেলিভারি সমাধান

  • ওয়েবসাইটে শিপিং বা ডেলিভারির ব্যাপারে অবশ্যই শর্ত বা নিয়মাবলী ব্যাবহার করে করবেন।
  • ভালমানের শিপিং উপাদান যেমনঃ কার্টুন, প্যাকেজিং ইত্যাদি ব্যাবহার করুন।
  • ভিবিন্ন ধরনের ডেলিভারি খরচ রাখতে পারেন যেমনঃ ফ্রি ডেলিভারি, নির্দিষ্ট ডেলিভারি খরচ অথবা পরিবর্তংশীল ডেলিভারি খরচ।
  • এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।
Share this

Leave a reply