How to choose best web hosting for blog website

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করতে গেলে বা তৈরি করার চিন্তা করলে হোক সেটা ব্লগ ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট সর্বপ্রথম আপনাকে যে কাজটি করতে হবে সেটি হচ্ছে হোস্টিং সম্পর্কে বিষদ ভাবে জ্ঞান রাখতে হবে। তা নাহলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটের জন্য বেস্ট ওয়েব হোস্টিংটি বাচাই করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
ফলে বিভিন্ন সময় আপনাকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। নিম্মে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সমস্যার কথা তুলে ধরা হল।

১। সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়া – এর ফলে ভিজিটর ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারবেনা।
২। ল্যাজি লোডিং – ফলে ওয়েবসাইট লোড হতে অনেক সময় নিবে।
৩। সমস্যা সমাধান করতে অনেক বেশী সময় নেওয়া।
 ৪। লো-লেভেল সিকিউরিটি – এর ফলে ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়া বা ভাইরাস- ম্যালওয়্যার জনিত সমস্যার সম্মূক্ষিন হতে পারে।
৫। ওভার প্রাইসিং – অর্থাৎ ওয়েব হোস্টিং এর স্পেসিফিকেশনের চেয়ে দাম বেশি নির্ধারন করা ইত্যাদি।

What is web hosting?


যখনি কেউ প্রফেশনালি বা পার্সনালি কোণ ওয়েবসাইট করার কথা ভাবে ঠিক তখনি প্রথম যেই প্রশ্নটি মাথায় আসে সেটি হচ্ছে ওয়েব হোস্টিং কি?
ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে ইন্টারনেটের এমন একটি স্পেচ বা যায়গা যেখানে ওয়েব ফাইল বা ওয়েবসাইটের ডেটা ষ্টোর করা হয়ে থাকে। এখানে একটি উদাহরণ দেওয়া হল যাতে বিষয়টি আরো ক্লিয়ার ভাবে বোঝা যায়।
মনে করুন আপনি একটি বাড়ি তৈরি করবেন। বাড়িটি তৈরি করার জন্য অবশ্যই একটি যায়গার প্রয়োজন হবে। ঠিক তেমনি অনলাইনে ওয়েবসাইটের ডেটা গুলি রাখার জন্যও একটি স্পেচ বা যায়গার প্রয়োজন হয়। আর এই যায়গাটিকে ওয়েব হোস্টিং বলা হয়ে থাকে। এছাড়াও এসকল যায়গার বিভিন্ন ধরনের সাইজ হয়ে থাকে যেমন বড়-ছোট তেমনি ওয়েব হোস্টিং এর ও সাইজ হয়ে থাকে যেমন ১জিব-২জিবি ইত্যাদি।

How to choose best web hosting for blog website


ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য হোস্টিং নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক গুলি বিষয় বিবেচনা করতে হলেও আমার এখানে প্রধান চারটি উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

১। রিলাইএ্যভিলিটি
– এখানে রিলাইএ্যভিলিটি বলতে চারটি বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। যেমনঃ

• ব্যাক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ আপনি যার কাছ থেকে ওয়েব হোস্টিংটি নিবেন তিনি কি একজন ব্যাক্তি নাকি প্রতিষ্ঠান। আমরা সবসময় চেষ্টা করবো প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব হোস্টিং নেওয়ার জন্য। কেননা একটি প্রতিষ্ঠানে অনেকজন এক্সপার্ট কাজ করে যারা যেকোন সমস্যা সমাধান অনেক দ্রুত দিয়ে পারবে কিন্তু একজন ব্যাক্তির পক্ষ্যে এই ধরনের সার্ভিস দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য।

• সি-প্যানেল বা কন্ট্রোল প্যানেল। অর্থাৎ আপনার কাঙ্ক্ষিত হোস্টিং প্রোভাইডার সি-প্যানেলের সম্পূর্ন এক্সেস দিচ্ছে কিনা। যদি না দেয় সেক্ষত্রে আমরা তাদেরকে এ্যাভয়েড করব।

• হিডেন চার্জ। অর্থাৎ এখন একটা হোস্টিং কিনলেন ১০০০ টাকা দিয়ে কিন্তু পরবর্তী বছর রিনিও বিল আসছে ১৫০০ টাকা। কিন্তু এই বিষয়ে পূর্বে কোথাও উল্লেখ ছিলনা।

• ট্র্যান্সফার। অর্থাৎ পরবর্তিতে চাইলে আপনার হোস্টিং যেকোন সময় অন্য কোথাও ট্র্যান্সফার করা যাবে এই সুবিধাটি দিচ্ছে কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে।

২। ফ্লেক্সিবিলিটি – অর্থাৎ এখন আপনি হোস্টিং নিয়েছেন ১জিবি কিন্তু কিছুদিন পরে দেখা গেল আপনার ষ্টোরেজ ফুল হয়ে গিয়েছে। এমত অবস্থায় আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েব হোস্টিং প্রোভাইডার আপনাকে ষ্টোরেজ আপগ্রেড করার সুবিধা দিচ্ছে কিনা বা দিলেও প্রাইসিং রিল্যায়এবল কিনা। এই বিষয় সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

৩। কোয়ালিটি – এখানে কোয়ালিটি বলে চারটি বিষয়কে বোঝানো হয়েছে। যেমনঃ

• সার্ভার আপটাইম। অর্থাৎ সার্ভার মোস্ট অব দ্যা টাইম অনলাইনে থাকে কিনা।

• সার্ভার স্পীড। অর্থাৎ সার্ভারের স্পীড ভাল কিনা। সার্ভারে কোন ধরেনের প্রসেসর ব্যবহার করা হয়ছে ইত্যাদি।

• সার্ভার লোকেশন। অর্থাৎ সার্ভারের লোকেশন আমেরিকাতে অবস্থিত কিনা। কেননা সাধারণত আমেরিকান ডেটা সেন্টার গুলি অনেক পাওয়ারফুল হয়ে থাকে।

• সার্ভার সিকিউরিটি। অর্থাৎ সার্ভারে এ্যান্টিভাইরাস, ফাইয়ারওয়ালস, ডিডস প্রোটেকশন, মড সিকিউরিটি, ভাইরাস স্ক্যানার, ব্যাকআপ সার্ভার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা নিশ্চিত করতে হবে।

৪। প্রাইস – সাধারণত সার্ভারের প্রাইসিংটা মূলত সার্ভারের স্পেসিফিকেশনের উপর নির্বর করে। অর্থাৎ একটি ভাল স্পেসিফিকেশনের সার্ভার জন্য আপনাকে তূলনামূলক একটু বেশী চার্জ করা হবে।
আমরা অনেক সময় ফেসবুক, ইউটিউবে অনেক বিজ্ঞাপন দেখি থাকি যে ২০জিবি হোস্টিং ১০০০ টাকা বা ২০০০ টাকা। সাধারণত এসকল হোস্টিং অনেক চিপ-কোয়ালিটির হয়ে থাকে। আমরা চেস্টা করবো এধরনের হোস্টিং প্রোভাইডারদের এড়িয়ে চলতে।

Leave a Reply

জি-হোস্ট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত একটি আইটি প্রতিষ্ঠান

©2015–2021 zHost Bangladesh. All rights reserved.